Dakhinadarpon ‘ডিসি-ইউএনওরা পাচ্ছেন সচিব গ্রেডের গাড়ি’ – Dakhinadarpon
Image

বৃহস্পতিবার || ৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ || ১৩ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ || ৫ই জিলহজ, ১৪৪৫ হিজরি

no posts Have

‘ডিসি-ইউএনওরা পাচ্ছেন সচিব গ্রেডের গাড়ি’

প্রকাশিতঃ ৩০ আগস্ট ২০২৩, বুধ, ২:২২ অপরাহ্ণ । পঠিত হয়েছে ২১৬ বার।

‘ডিসি-ইউএনওরা পাচ্ছেন সচিব গ্রেডের গাড়ি’

সরকারের ক্রয় প্রস্তাবের অনিয়ম নিয়ে যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম, “ডিসি-ইউএনওরা পাচ্ছেন সচিব গ্রেডের গাড়ি”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সরকারের কৃচ্ছ্রসাধনের নীতি বহাল থাকা সত্ত্বেও জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের (ইউএনও) জন্য ২৬১টি গাড়ি কেনা বাবদ ৩৮০ কোটি টাকা ব্যয়ের প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে অর্থ বিভাগ।

এর মধ্যে ৬১টি গাড়ি ডিসিদের জন্য এবং ইউএনওদের ২০০টি। প্রতিটি গাড়ির মূল্য ধরা হয়েছে এক কোটি ৪৫ লাখ টাকা এবং রেজিস্ট্রেশন ফি ৮০ হাজার ৫শ টাকা।

শুধু তাই নয়, গাড়ি প্রাপ্যতার শর্ত শিথিল করে তাদের ২৭০০ সিসির গাড়ি দেওয়া হচ্ছে, যা গ্রেড-১ ও ২ (সচিব ও অতিরিক্ত সচিব) পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের প্রাধিকার।

এভাবে শর্ত শিথিল করে গাড়ি কেনার যৌক্তিকতা তুলে ধরতে গিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ‘দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও পরিবহণ সেবা স্বাভাবিক রাখতে এ গাড়ি কেনা প্রয়োজন।’

বৈদেশিক ঋণ নিয়ে প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, “বেড়েছে বিশ্বব্যাংক ও জাপানে কমেছে চীন, ভারত ও রাশিয়ার”। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছর চীন, ভারত ও রাশিয়াসহ এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক এবং এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক আগের চেয়ে কম অর্থ দিয়েছে। কমেছে বিদেশি সহায়তাও।

কেবল বিশ্বব্যাংক ও জাপান ছাড়া বাকি সবাই ঋণের ছাড় কমিয়ে দিয়েছে।

বর্তমান ভূ রাজনৈতিক বিবেচনায় এসব বহুজাতিক সংস্থা ও দেশগুলো বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া নির্বাচনের বছরে এসব দেশের অর্থছাড় কম হওয়া নিয়েও বেশ আলোচনা হচ্ছে। বিদায়ী অর্থবছরে, আগের অর্থবছরের চাইতে এক লাফে ৭৪ কোটি ডলার অর্থছাড় কমেছে।

বলা হচ্ছে, এসব সংস্থা ও দেশ নমনীয় শর্তে ঋণ দেয়। তারা পশ্চিমা দেশগুলোর আদলে সুশাসনের সঙ্গে অর্থ খরচকে প্রাধান্য দেয়।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী নীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান উইলসন সেন্টারের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক পরিচালক মাইকেল কুগেলম্যানের বিশেষ সাক্ষাতকার নিয়ে কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম, “চার দেশের স্বার্থের চাপে বাংলাদেশ”।

প্রতিবেদনে, ভূ রাজনীতিতে বাংলাদেশের অবস্থান, বাংলাদেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ক্রম বর্ধমান চাপ, বাংলাদেশের ভবিষ্যতসহ নানা দিক উঠে এসেছে।

মাইকেল কুগেলম্যান বলেন, বাংলাদেশ নিয়ে ভূ-রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা চলছে। ভারত-চীন প্রতিযোগিতা, যুক্তরাষ্ট্র-চীন প্রতিযোগিতা ও যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়া প্রতিযোগিতা। এই তিনটি প্রতিযোগিতাতেই বাংলাদেশ জড়িয়ে আছে।

চার দেশের স্বার্থের চাপে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় নীতি হচ্ছে, কোনো বলয়ে না যাওয়া।

কিন্তু ওই চার দেশ বৈশ্বিক পর্যায়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে পরস্পরের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করছে। বর্তমান অবস্থায় ওই চার দেশের সবার সঙ্গে সম্পর্কে ভারসাম্য রক্ষা করাই ঢাকার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে বলে তিনি জানান।

এছাড়া বাংলাদেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের এত চাপের কারণ হিসেবে বাইডেন প্রশাসনের গণতন্ত্র ও মানবাধিকার ভিত্তিক পররাষ্ট্রনীতিকে মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্র মনে করছে, চাপ সৃষ্টি করলে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে। এ জন্য র‌্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। ওই নিষেধাজ্ঞার পর বিচারবহির্ভূত হত্যা কমেছে।

নির্বাচনকে ঘিরে নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম, “নির্বাচন কমিশন সব দলকে ভোটে আনার অগ্নিপরীক্ষায়”।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বর্তমান নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত রোড ম্যাপের প্রথম চ্যালেঞ্জই হলো, নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলগুলোর সরকার ও নির্বাচন কমিশনের প্রতি আস্থা সৃষ্টি। কিন্তু দায়িত্ব পাওয়ার দেড় বছরেও রাজনৈতিক দলগুলোর আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে পারেনি।

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের ওপর রাজনৈতিক দল আর সাধারণ মানুষের অনাস্থা বাড়ছে। আর এই আস্থাহীনতার কারণে নির্বাচনে অধিকাংশ রাজনৈতিক দল অংশ নেবে কি না সেই প্রশ্ন বারবার ঘুরে ফিরে আসছে।

ভোটের প্রতি আগ্রহ কমে যাওয়ায় কাজী আউয়াল কমিশনের অধীনে সর্বশেষ নির্বাচনগুলোয় ভোটার উপস্থিতিও কম। তাই দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটার ও দলের আস্থা অর্জন এবং সবার অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন করাই এখন কাজী হাবিবুল আউয়াল কমিশনের বড় চ্যালেঞ্জ।

আস্থা অর্জনের জন্য এরই মধ্যে ইভিএমর বদলে ব্যালটে ভোট নেয়ার ব্যবস্থায় ফিরে যেতে হয়েছে নির্বাচন কমিশনকে। ২০১৮ সালে রাতের ভোটের বদনাম ঘোচাতে, ভোটের দিনেই ব্যালট পেপার কেন্দ্রে পৌঁছানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

অর্থনীতির জরিপ নিয়ে দ্য ডেইলি স্টারের প্রথম পাতার খবর, “Economy headed in wrong direction”। অর্থাৎ “ভুল পথে চলছে অর্থনীতি”। প্রতিবেদনে দ্য এশিয়া ফাউন্ডেশন ইন বাংলাদেশ এবং ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্নেন্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের একটি জরিপের তথ্য তুল ধরা হয়েছে।

ওই জরিপে, দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ মনে করেন বাংলাদেশের অর্থনীতি ভুল পথে যাচ্ছে এবং তারা দ্রব্যমূল্য বেড়ে যাওয়াকে দায়ী করেন। রাজনীতি সঠিক পথে নেই এমনটি মনে করে ৪৮ শতাংশ মানুষ। সামাজিকভাবে দেশ সঠিক দিকে এগোচ্ছে- এমন ধারণা ৫৮ শতাংশ মানুষের।

বাংলাদেশের ৬৪টি জেলায় ২০২২ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৩ সালের জানুয়ারী পর্যন্ত ১০,২৪০ জন নারী পুরুষের ওপর এই জরিপ পরিচালনা করা হয়। এবারের জরিপে দেশের ভবিষ্যত সম্পর্কে জনসাধারণের ধারণার যে যথেষ্ট অবনতি হয়েছে তারই ইঙ্গিত দেয়।

উদাহরণস্বরূপ, ২০১৯ সালে, ২৮ শতাংশ মানুষ মনে করতেন দেশটি একটি অর্থনীতি ভুল দিকে যাচ্ছে।

আর্থিক জালিয়াতি নিয়ে সমকালের প্রধান শিরোনাম, “এমটিএফই জালিয়াতি ঠেকাতে গঠন হচ্ছে টাস্কফোর্স”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বহু ধাপ বিপণনের (এমএলএম) ফাঁদ পেতে মেটাভার্স ফরেন এক্সচেঞ্জ (এমটিএফই) বাংলাদেশি গ্রাহকদের কাছ থেকে কয়েক হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পর নড়েচড়ে বসেছেন সংশ্লিষ্টরা।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনসহ (বিটিআরসি) বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিদের নিয়ে জরুরি বৈঠক হয়।

সভায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে এমটিএফইর মতো প্রতিষ্ঠানের জালিয়াতি ঠেকাতে বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের ওপর জোর দেওয়া হয়। এ ব্যাপারে একটি টাস্কফোর্স গঠনেরও সিদ্ধান্ত হয়।

এ ছাড়া জালিয়াত প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে আগাম তথ্য সংগ্রহ করে জনগণকে সচেতন করতে বিটিআরসিকে স্বতন্ত্রভাবে কাজ করার দক্ষতা অর্জনের ওপর জোর দেন অনেকে।

মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবস্থাপনায় আরও কঠোর নজরদারি করা না গেলে দেশি-বিদেশি প্রতারক চক্র বারবার বাংলাদেশকে নিশানা করতে পারে বলে বৈঠকে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়।

বায়ুদূষণ নিয়ে সংবাদের প্রথম পাতার খবর, “বায়ুদূষণে বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু কমছে প্রায় ৭ বছর”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত বায়ুর দেশের তালিকায় স্থান পেয়েছে বাংলাদেশ। যার প্রভাবে দেশটির গড় আয়ু থেকে প্রায় ৭ বছর হারিয়ে যাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব শিকাগোর এনার্জি পলিসি ইনস্টিটিউটের (এপিক) সাম্প্রতিক এক গবেষণায় জানা গেছে এই তথ্য। বায়ুদূষণের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের গড় আয়ুও কমেছে, তবে সেই হ্রাসের পরিমাণ মাত্র ৩ মাস ৬ দিন বলে উল্লেখ করা হয়েছে এয়ার কোয়ালিটি লাইফ ইনডেক্স নামের প্রতিবেদনটিতে।

এয়ার কোয়ালিটি লাইফ ইনডেক্স নামের সেই গবেষণা প্রতিবেদনে বাংলাদেশকে ‘বিশ্বের অন্যতম দূষিত দেশ’ হিসেবে উল্লেখ করে এপিক জানিয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ার বাতাসে দূষণের প্রভাবে ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও নেপালের জনগণ তাদের গড় আয়ু থেকে গড়ে ৫ বছর হারাচ্ছে। এসব দেশের মধ্যে বাংলাদেশের জনগণের আয়ু হ্রাসের হার সবচেয়ে বেশি ৬ বছর ৮ মাস।

একই বিষয়ে নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম, “Air pollution keeps taking heavy toll on Bangladeshis”অর্থাৎ “বায়ু দূষণ বাংলাদেশের মানুষের উপর মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে”

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে যে ১০টি রোগের কারণে অকাল মৃত্যু হয় তার মধ্যে, বায়ু দূষণ কমপক্ষে পাঁচটির সাথে যুক্ত। যার ফলে প্রতি বছর সারা দেশে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু হয়।

বায়ু দূষণ বাংলাদেশের মানুষের উপর মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে

চিকিত্সক এবং জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, বায়ু দূষণ সব ধরণের বক্ষব্যাধী রোগে মৃত্যুর জন্য প্রত্যক্ষভাবে দায়ী এবং অন্যান্য অনেক সংক্রামক এবং অসংক্রামক রোগে পরোক্ষভাবে অবদান রাখে। বিষাক্ত বাতাস পরোক্ষভাবে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা, কিডনির সমস্যা এবং হৃদরোগেরও কারণ।

বায়ু দূষণের কারণে শিশু ও বৃদ্ধরা এ ধরনের রোগে বেশি আক্রান্ত হয়। দূষিত বায়ু অনেক সংক্রামক রোগের বাহক হিসেবেও কাজ করে।

পরিবেশ নিয়ে বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, “জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়: বাস্তুসংস্থান রক্ষার উদ্যোগ না নিয়েই পাখির অভয়ারণ্যে উন্নয়ন প্রকল্প”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সাম্প্রতিক সময়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় নতুন অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্প হাতে নেয়া পর জীববৈচিত্র্য রক্ষায় যেসব উদ্যোগ নেয়ার কথা ছিল তার কিছুই মানছে না।

অথচ পরিযায়ীসহ বিভিন্ন প্রজাতির দেশী পাখির অবাধ বিচরণের কারণে এক সময় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়কে পাখির অভয়ারণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল। এ ধরনের এলাকায় নতুন স্থাপনা নির্মাণে বেশকিছু নিয়ম-কানুন মেনে চলার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ১৪৪৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ২১টি অবকাঠামো নির্মাণের একটি প্রকল্প চালু রয়েছে। প্রকল্প গ্রহণের আগে সম্ভাব্যতা সমীক্ষায় বাস্তুসংস্থান ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বেশকিছু উদ্যোগ নেয়ার সুপারিশ করা হয়েছিল। যার বড় একটি অংশ পরিপালন করা হয়নি।

পাখি বিশেষজ্ঞরা জানান, প্রায় সারা বছরই পাখির কলকাকলিতে মুখরিত থাকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। গত কয়েক বছরের চিত্র পর্যালোচনা করে দেখা যায়, এ সংখ্যা এখন ক্রমাগত কমছে। কেননা পাখিরা এখন ওপর থেকে সবুজের পরিবর্তে ভবন দেখতে পাচ্ছে। ফলে তারা এ এলাকাকে এড়িয়ে চলছে।

অন্যান্য খবর

মঙ্গলবারের সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যকে ঘিরে যুগান্তরের প্রথম পাতার খবর, “কত বড় শক্তিশালী সিন্ডিকেট দেখব”। প্রতিবেদনে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি নিয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এমন মন্তব্য করেন। এ সময় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সিন্ডিকেটে হাত দেওয়া যাবে না এমনটি বাণিজ্যমন্ত্রী বলে থাকলে, তাকে ধরবেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, খাদ্যপণ্য নিয়ে কয়েকটা হাউজ ব্যবসা করে। যখনই তারা কৃত্রিমভাবে দাম বাড়ায় আমরা আমদানি করি, বিকল্প ব্যবস্থা করি। যাতে তারা বাধ্য হয় দাম কমাতে। আমরা তো সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিই। কাজেই সিন্ডিকেট থাকলে তা ভাঙা যাবে না, এটা কোনো কথা নয়।

“কে কত বড় শক্তিশালী সিন্ডিকেট আমি জানি না, ঠিক আছে আমি দেখব এটা, কী ব্যবস্থা করা যায়।”- তিনি জানান। সেইসাথে সবাইকে উৎপাদনের তাগিদ দেন প্রধানমন্ত্রী। এটা করলে সিন্ডিকেট কিছু করতে পারবে না।

ডিমের দাম বাড়ার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ডিম সিদ্ধ করে ফ্রিজে রেখে দেবেন। অনেক দিন ভালো থাকবে। অভাব যেন না থাকে, সেটাই দেখব। সিন্ডিকেটের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে দেব, বিকল্প ব্যবস্থা করব। সিন্ডিকেট এভাবেই ভেঙে যাবে।

প্রধানমন্ত্রীর দক্ষিণ আফ্রিকা সফর নিয়ে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর আরেক ধরণের বক্তব্য নিয়ে বণিক বার্তার প্রথম পাতার খবর, “ব্রিকসের সদস্যপদ পেতে বাংলাদেশ চেষ্টাও করেনি” প্রতিবদেনে বলা হচ্ছে, ব্রিকসের সদস্যপদ এখনই পেতে হবে এমন কোনো চিন্তা বাংলাদেশের ছিল না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এখনই সদস্যপদ পেতে হবে সে ধরনের চেষ্টাও করিনি। চাইলে পাব না সে অবস্থাটা নেই।’

তিনি আরো বলেন, ‘ব্রিকস যখন প্রতিষ্ঠিত হয় তখন এ পাঁচটি দেশের (ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকা) সরকারপ্রধানের সঙ্গে আমার ভালো যোগাযোগ সবসময় ছিল এবং আছে। সে সময় এটা নিয়ে আলোচনা হলো পর্যন্ত।’

দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে জুনে যে আলোচনা হয়, সে পর্যায়েই বিষয়টি ছিল বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘ব্রিকসের সদস্য হওয়ার বিষয়ে প্রেসিডেন্ট আমাকে তখনই বলেছিলেন যে ধাপে ধাপে নেবেন, ওই ভৌগোলিক অবস্থানকে বিবেচনা করে যে দেশগুলো তাদেরকে নেবেন এবং পর্যায়ক্রমিকভাবে তারা সদস্য সংখ্যা বাড়াবেন।

এ জাতীয় আরো সংবাদ

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় নির্বাচনী সহিংসতা সৃষ্টির অভিযোগে আটক-৪

প্রকাশিতঃ ২৯ মে ২০২৪, বুধ, ৩:১৩ অপরাহ্ণ

সশস্ত্র সংগঠন কেএনএফ-এর শক্তি আসলে কতটা?

প্রকাশিতঃ ৫ এপ্রিল ২০২৪, শুক্র, ১১:৫৯ অপরাহ্ণ

অসুস্থ খালেদা জিয়াকে গভীর রাতে ঢাকার হাসপাতালে নেয়া হলো

প্রকাশিতঃ ১ এপ্রিল ২০২৪, সোম, ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ

মূলধারার গণমাধ্যমকে সোচ্চার হতে হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিতঃ ৩১ মার্চ ২০২৪, রবি, ১১:৫৬ অপরাহ্ণ

মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে খরচ কমবে এবার?

প্রকাশিতঃ ১১ মার্চ ২০২৪, সোম, ১১:০৪ অপরাহ্ণ

চাঁদ দেখা গেছে, মঙ্গলবার থেকে রোজা

প্রকাশিতঃ ১১ মার্চ ২০২৪, সোম, ১০:৩০ অপরাহ্ণ

জাতীয় নির্বাচনকে বিশ্বাসযোগ্য করতে ব্যর্থ হয়েছে নির্বাচন কমিশন: ইইউ

প্রকাশিতঃ ১০ মার্চ ২০২৪, রবি, ১২:০২ পূর্বাহ্ণ