জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা,ফেব্রুয়ারিতেই জাতীয় নির্বাচন
Image

জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা,ফেব্রুয়ারিতেই জাতীয় নির্বাচন

প্রকাশিতঃ ৫ আগস্ট ২০২৫, মঙ্গল, ১০:৫৪ অপরাহ্ণ । পঠিত হয়েছে ১৮৯ বার।

জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা,ফেব্রুয়ারিতেই জাতীয় নির্বাচন
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, স্বৈরাচারী সরকার আমলে সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে বড় বাধা ছিল ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, যা পরে সাইবার নিরাপত্তা আইন রূপে আবির্ভূত হয়েছিলো। আমরা এই আইনটি বাতিল করেছি। এই আইনের অধীনে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে করা সব মামলা বাতিল করা হয়েছে। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণে এটি একটি বড় অগ্রগতি। নতুন যে আইন প্রণীত হয়েছে তাতে আগের আইনের নিবর্তনমূলক ৯টি ধারা বাদ দেওয়া হয়েছে। আগের আইনের আওতায় করা ৯৫ শতাংশ মামলাই এসব ধারায়। আমরা বিশ্বাস করি, নতুন এই আইন প্রণয়নের পর সাংবাদিকদের আইনি হয়রানি বন্ধ হবে।
আজ জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, গত বছর মানুষের প্রতিবাদকে স্তব্ধ করে দিতে ফ্যাসিবাদী সরকার ইন্টারনেট বন্ধ করে দিয়েছিল, যাতে গোপনে তারা দমন-নিপীড়ন, হত্যাযজ্ঞ চালাতে পারে। অন্তর্বর্তী সরকার সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধন করে নতুন অধ্যাদেশে প্রথমবারের মতো ইন্টারনেটকে মৌলিক অধিকার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেছে।
ইন্টারনেটের মান নিয়ে তিনি বলেন, সম্প্রতি আন্তর্জাতিক ব্যন্ডউইডথ (রিয়েল টাইম ইন্টারনেট ট্রাফিক) পরিবহনে ৪.০০ টেরাবাইট/সেকেন্ডের মাইলফলক অতিক্রম করেছে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি। বাংলাদেশে ইন্টারনেট সেবার মান ভালো করতে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

 

ফেব্রুয়ারিতেই জাতীয় নির্বাচন

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করতে চায় অন্তর্বর্তী সরকার। এ জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে চিঠি পাঠানো হবে। যেন নির্বাচন কমিশন আগামী রমজানের আগে, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

আজ মঙ্গলবার জাতির উদ্দেশে ভাষণে এ কথা বলেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের সর্বশেষ দায়িত্ব পালনের পালা নির্বাচন অনুষ্ঠান। আজ এই মহান দিবসে আপনাদের সামনে এ বক্তব্য রাখার পর থেকেই আমরা আমাদের সর্বশেষ এবং সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ে প্রবেশ করব। আমরা এবার একটি নির্বাচিত সরকারের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করব।’

তিনি বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে আমি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে চিঠি পাঠাব, যেন নির্বাচন কমিশন আগামী রমজানের আগে, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।’

‘আপনারা সকলেই দোয়া করবেন যেন সুন্দরভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠান করে এ দেশের সকল নাগরিক একটি ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়ার কাজে সফলভাবে এগিয়ে যেতে পারে। আমরা সরকারের পক্ষ থেকে এই নির্বাচন যাতে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ এবং উৎসবমুখরভাবে সম্পন্ন করা যায় সেজন্য সকল প্রকার সাহায্য-সহযোগিতা প্রদান করব,’ বলেন তিনি।

প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘এবারের নির্বাচন যেন আনন্দ-উৎসবের দিক থেকে, শান্তি-শৃঙ্খলার দিক থেকে, ভোটার উপস্থিতির দিক থেকে, সৌহার্দ্য ও আন্তরিকতার দিক থেকে দেশের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকে সেজন্য সকল আয়োজন সম্পন্ন করতে আগামীকাল থেকে আমরা সকলেই মানসিক প্রস্তুতি ও প্রাতিষ্ঠানিক আয়োজন শুরু করবো।’

 

প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার

প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

আজ মঙ্গলবার রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা জানান।

তিনি বলেন, প্রবাসীদের জন্য ভিসা জটিলতা দূর করতে এবং ভিসা জটিলতা কাটাতে আমরা কাজ করছি। এছাড়া বিভিন্ন দেশে আমরা জনবল পাঠানোর ব্যাপারে কাজ করা হচ্ছে।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের সর্বশেষ দায়িত্ব পালনের পালা নির্বাচন অনুষ্ঠান। আজ এই মহান দিবসে আপনাদের সামনে এ বক্তব্য রাখার পর থেকেই আমরা আমাদের সর্বশেষ এবং সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ে প্রবেশ করব। আমরা এবার একটি নির্বাচিত সরকারের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করব।’

তিনি বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে আমি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে চিঠি পাঠাব, যেন নির্বাচন কমিশন আগামী রমজানের আগে, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।’

‘আপনারা সকলেই দোয়া করবেন যেন সুন্দরভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠান করে এ দেশের সকল নাগরিক একটি ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়ার কাজে সফলভাবে এগিয়ে যেতে পারে। আমরা সরকারের পক্ষ থেকে এই নির্বাচন যাতে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ এবং উৎসবমুখরভাবে সম্পন্ন করা যায় সেজন্য সকল প্রকার সাহায্য-সহযোগিতা প্রদান করব,’ বলেন তিনি।

প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘এবারের নির্বাচন যেন আনন্দ-উৎসবের দিক থেকে, শান্তি-শৃঙ্খলার দিক থেকে, ভোটার উপস্থিতির দিক থেকে, সৌহার্দ্য ও আন্তরিকতার দিক থেকে দেশের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকে সেজন্য সকল আয়োজন সম্পন্ন করতে আগামীকাল থেকে আমরা সকলেই মানসিক প্রস্তুতি ও প্রাতিষ্ঠানিক আয়োজন শুরু করবো।’

‘বহু বছর আমরা কেউ ভোট দিতে পারিনি, এবার আমরা সবাই ভোট দিবো’

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বহু বছর আমরা কেউ ভোট দিতে পারিনি, এবার আমরা সবাই ভোট দিবো, কেউ বাদ যাবে না। যাতে আমরা বলতে পারি নতুন বাংলাদেশ রওনা করার পথে আমি আমার ভোটটা দিতে পারি। আমার ভোটেই দেশটা সেই পথে রওনা হতে পেরেছে।

আজ মঙ্গলবার রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা জানান।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আপনারা সকলেই দোয়া করবেন যেন সুন্দরভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠান করে এ দেশের সকল নাগরিক একটি ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়ার কাজে সফলভাবে এগিয়ে যেতে পারে। আমরা সরকারের পক্ষ থেকে এই নির্বাচন যাতে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ এবং উৎসবমুখরভাবে সম্পন্ন করা যায় সেজন্য সকল প্রকার সাহায্য-সহযোগিতা প্রদান করব,’ বলেন তিনি।

প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘এবারের নির্বাচন যেন আনন্দ-উৎসবের দিক থেকে, শান্তি-শৃঙ্খলার দিক থেকে, ভোটার উপস্থিতির দিক থেকে, সৌহার্দ্য ও আন্তরিকতার দিক থেকে দেশের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকে সেজন্য সকল আয়োজন সম্পন্ন করতে আগামীকাল থেকে আমরা সকলেই মানসিক প্রস্তুতি ও প্রাতিষ্ঠানিক আয়োজন শুরু করবো।’

‘প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শূন্য পদে সাড়ে ছয় হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে’

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, সরকার কিছুদিন আগে সারা দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব প্রধান শিক্ষকের বেতনের গ্রেড এক ধাপ বাড়িয়ে দশম গ্রেড করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটি একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত। প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শূন্য পদে সাড়ে ছয় হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে।

আজ মঙ্গলবার জাতির উদ্দেশে ভাষণে এ কথা বলেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই শিক্ষাব্যবস্থার উন্নতির জন্য ধারাবাহিকভাবে পরামর্শক কমিটির সঙ্গে বৈঠক করেছে, বিভিন্ন উদ্যোগ হাতে নিয়েছে। বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার মান কীভাবে বাড়ানো যায় সে বিষয়ে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, প্রাথমিকের পড়াশোনার পদ্ধতিগত পরিবর্তনের দিকেও আমরা মনোযোগ দিচ্ছি। সব স্কুলে ইন্টারনেট সংযোগ ও মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষ তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামের কমপক্ষে ১০০টি স্কুলে এ বছরের মধ্যেই ই-লার্নিং চালু হবে। ঢাকা চট্টগ্রামের অভিজ্ঞ শিক্ষকরা প্রযুক্তির সহায়তায় এসব স্কুলে শিক্ষকতা করে সেখানকার শিক্ষক ঘাটতি পূরণ করবেন।

এ জাতীয় আরো সংবাদ

ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিতঃ ৪ মার্চ ২০২৬, বুধ, ১১:৪৬ অপরাহ্ণ

মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনই আমাদের লক্ষ্য : জামায়াতের ইফতারে প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিতঃ ১ মার্চ ২০২৬, রবি, ১২:০৫ পূর্বাহ্ণ

মানুষ অনেক প্রত্যাশা নিয়ে সরকারের দিকে তাকিয়ে আছে :...

প্রকাশিতঃ ১ মার্চ ২০২৬, রবি, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ

মো. সাহাবুদ্দিনকে অপসারণ করে নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়োগে আইনি নোটিশ

প্রকাশিতঃ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, বৃহঃ, ৮:২৪ অপরাহ্ণ

ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা পাবেন না যে ৬ শ্রেণির মানুষ

প্রকাশিতঃ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, বৃহঃ, ৮:১৮ অপরাহ্ণ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ৯টার মধ্যেই অফিসে সচিবরাও

প্রকাশিতঃ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, বুধ, ৮:৫৯ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর মো: মোস্তাকুর রহমান

প্রকাশিতঃ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, বুধ, ৮:৩৫ অপরাহ্ণ