বিজিবি ও বিএসএফ এর আন্তরিকতায় লাশ দেখলো স্বজনরা
Image

বিজিবি ও বিএসএফ এর আন্তরিকতায় লাশ দেখলো স্বজনরা

প্রকাশিতঃ ২ অক্টোবর ২০২৫, বৃহঃ, ৯:৪৬ পূর্বাহ্ণ । পঠিত হয়েছে ২৭২ বার।

বিজিবি ও বিএসএফ এর আন্তরিকতায় লাশ দেখলো স্বজনরা

বাবার বাড়ি ভারতে, বিয়ে হয়েছে বাংলাদেশে। বাবার মৃত্যু সংবাদ পেলেও বাঁধ সাধে কাঁটাতারের বেড়া। অবশেষে দু’দেশের সীমান্তরক্ষীদের বদন্যতায় শেষ বারের মত বাবার মুখটি দেখলো মেয়ে মিতু মন্ডল (৩৮।

যশোরের শার্শা সীমান্তে শেষবারের মতো ভারতীয় নাগরিক জব্বার মন্ডল এর লাশ দেখলো বাংলাদেশি স্বজনরা।

সীমান্তের শূন্যরেখায় শেষবারের মতো ভারতীয় নাগরিক জব্বার মন্ডল (৭৫) এর লাশ তার আত্মীয় স্বজনদের দেখার সুযোগ করে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতীয় বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ)।

বুধবার (১ অক্টোবর) দুপুরে যশোরের শার্শার উপজেলার ধান্যখোলা সীমান্তের মেইন পিলার ২৫/৬-এস এর নিকট কোম্পানী কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে লাশ স্বজনদের দেখানো হয় বলে জানান যশোর ৪৯ বি‌জি‌বি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল্লাহ সিদ্দিকী।

এ বিজিবি কর্মকর্তা জানান,ভারতের বাগদা থানার বাঁশঘাটা গ্রামে ভারতীয় নাগরিক জব্বার মন্ডল (৭৫) বার্ধক্যজনিত কারণে মঙ্গলবার মারা যায়। মৃত্যুর খবর পেয়ে তার বাংলাদেশি স্বজনরা লাশ দেখতে বিজিবির কাছে একটি আবেদন করেন। অপরদিকে বাংলাদেশে অবস্থিত জব্বার মন্ডল এর স্বজনদের লাশ দেখানোর জন্য ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর পক্ষ থেকে বিজিবি’র সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়। এর প্রেক্ষিতে দু’দেশের সীমান্তরক্ষীদের কোম্পানী কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে লাশ স্বজনদের দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়।

এ সময় বাবার মরদেহ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন বাংলাদেশে থাকা তার বড় মেয়ে মিতু মন্ডল (৩৮)সহ তার স্বজনরা। এ সময় দুই সীমান্তের সীমান্তরক্ষীদেরও চোখ মুছতে দেখা যায়। পরে লাশ দাফনের উদ্দেশে ভারতে নিয়ে যাওয়া হয় এবং বাংলাদেশি স্বজনরা তাদের নিজ বাড়িতে ফিরে যান।

বেনাপোল পোড়াবাড়ী গ্রামের বাবলু মন্ডল জানান,পাসপোর্ট ভিসা না থাকায় শশুরের মৃত্যু সংবাদ পাওয়ার পর তারা বিচলিত হয়ে পড়েন। পরে বিজিবি ক্যাম্পে আবেদন করার পর তারা শেষ বারের মতো মৃত্যু মুখটি দেখার সুযোগ করে দেয়। আমরা বিজিবির প্রতি কৃতজ্ঞ।

যশোরের বেনাপোল পোর্ট থানার পোড়াবাড়ি গ্রামের বাবলু মন্ডলের সাথে মিতু মন্ডল (৩৮) এর বিয়ে হয়। মিতুর বাবার বাড়ি ভারতের উত্তর ২৪ পরগণার বাগদা থানার বাঁশঘাটা গ্রামে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ধান্যখোলা বিজিবি ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার সেলিম মিয়া এবং ভারতের ৬৭ বিএসএফ ব্যাটালিয়ন মোস্তফাপুর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সঞ্জয় কুমার রায়। #

এ জাতীয় আরো সংবাদ

মে দিবসেও চলছে শিশুশ্রম, পেটের দায়ে ফিকে অধিকার

প্রকাশিতঃ ১ মে ২০২৬, শুক্র, ১০:৪৩ অপরাহ্ণ

ঈদে ভেদাভেদ ভুলে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিতঃ ২১ মার্চ ২০২৬, শনি, ১২:২০ পূর্বাহ্ণ

চাঁদ দেখা যায়নি, বাংলাদেশে ঈদ শনিবার

প্রকাশিতঃ ২০ মার্চ ২০২৬, শুক্র, ১২:২৮ পূর্বাহ্ণ

জামায়াত আমিরের ঈদ শুভেচ্ছা

প্রকাশিতঃ ২০ মার্চ ২০২৬, শুক্র, ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ

নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করার দাবি নাহিদ ইসলামের

প্রকাশিতঃ ১৪ মার্চ ২০২৬, শনি, ১২:১৬ পূর্বাহ্ণ

সংস্কার না হলে ডেপুটি স্পিকারের পদ নেবে না বিরোধী...

প্রকাশিতঃ ১১ মার্চ ২০২৬, বুধ, ৯:৩১ অপরাহ্ণ

আরেকটি নজির তৈরি করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিতঃ ১১ মার্চ ২০২৬, বুধ, ৯:২৭ অপরাহ্ণ